ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা এবংস্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলুন | -1 | সিপিবি’র আহবান | AMAN PASAND AKHBAR 

Eduardo Ruman (In Memoriam)
Diretor-Presidente
Administrativo e Empreendedor
Denise Ruman
MTB - 0086489
JORNALISTA RESPONSÁVEL
The Biggest and Best International Newspaper for World Peace
BRANCH OFFICE OF THE NEWSPAPER "PACIFIST JOURNAL" in PAKISTAN
Founder, President And International General Chief-Director / Founder, President And International General Chief-Director :  Denise Ruman - MTB: 0086489 / SP-BRAZIL
Local Chief-Director - Pakistan / Local Chief-Director - Pakistan :  MAHMOOD HASSAN HASHMI
Mentor of the Newspaper / Mentor of the Newspaper  :  José Cardoso Salvador (in memoriam)
Mentor-Director / Mentor-Director  :  Mahavátar Babají (in memoriam)

-1 / 20/02/2019

সিপিবি’র আহবান

ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা এবংস্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলুন

0 votes
ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা এবংস্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলুন

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ( ছবি : সংগ্রহীত )

সিপিবি’র আহবান : ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা এবংস্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলুন'


প্রিয় দেশবাসী,
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সরকার দেশবাসীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে, ‘ভুয়া ভোটে’র প্রতারণা ও প্রহসন সংগঠিত করেছে। ভ‚য়া নির্বাচন বাতিল করে দল-নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের জন্য জনগণ দাবি তুলেছে। ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে দেশবাসী চরমভাবে অপমানিত ও ক্রোধান্বিত হয়েছে। বঞ্চনার এই দগদগে ঘা শুকায়নি। মানুষ ভোটের ওপর বিশ্বাস, আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই বিশ্বাস, আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার বা নির্বাচন কমিশনার ন্যূনতম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বরং উপজেলা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন যে, উপজেলা নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই ‘সুষ্ঠু’(!) হবে। এ কথা মানুষের হতাশা ও ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ন্যূনতম কোনো প্রতিশ্রæতি ও পদক্ষেপ ছাড়া উপজেলা নির্বাচনে আমাদের দলের অংশগ্রহণকে বস্তুত অর্থহীন করে তোলা হয়েছে। তাই সিপিবি উপজেলা নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দিচ্ছে না।
আমরা মনে করি, জনগণের ভোটাধিকারসহ অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা আজ জাতির সামনে জরুরি কর্তব্য হয়ে উঠেছে। তা নিশ্চিত করতে হলে দল-নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ‘সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা’ প্রবর্তন, নির্বাচনকে টাকার খেলা-পেশিশক্তি-প্রশাসনিক কারসাজি ও সাম্প্রদায়িক ধূম্রজাল থেকে মুক্ত করে গোটা নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার অপরিহার্য। এসব দাবিতে চলমান সংগ্রামে শামিল হতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
জনগণের অংশগ্রহণে স্থানীয় স্বশাসনের বিভিন্ন স্তরের সংস্থার প্রচলন আমাদের সমাজে দীর্ঘদিনের। কিন্তু ক্ষমতাসীনরা এসব সংস্থাকে বারবার ব্যবহার করেছে তাদের ক্ষমতার ‘খুঁটি’ হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত সংবিধানে স্বশাসিত ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা’ লিখিতভাবে স্বীকৃতি পেলেও, এখন পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন অর্জন করা যায়নি। একদিকে স্থানীয় সরকারের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট পাওয়া যায় না। অন্যদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আমলা-প্রশাসন-এই দুই তরফের খবরদারি-নিয়ন্ত্রণ এসব সংস্থার কর্তৃত্বকে জরবদখল করে রেখেছে।
স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জাতীয় বাজেটের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ স্থানীয় সরকারের জন্য সংবিধিবদ্ধভাবে বরাদ্দ রাখার বিধান করা, সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণের মতামত নিয়ে তৃণমূল থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রক্রিয়া চালু করা, সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং কঠোর হাতে সব স্তরে দুর্নীতি বন্ধ করার মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার-ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হবে। জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়ন ও রাষ্ট্র-প্রশাসনের গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণের জন্য এসব পদক্ষেপ অপরিহার্য।
স্বশাসিত স্থানীয় সরকার সংস্থাসমূহকে দারিদ্র্য বিমোচন, বরাদ্দকৃত অর্থ প্রকৃত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশু-নারী-বয়স্কদের জন্য সামাজিক-আর্থিক সহায়তার নিশ্চয়তা বিধান, সমাজ ও পরিবেশবান্ধব গ্রাম-উন্নয়ন, অপসংস্কৃতি ও নৈরাজ্য দূর করে তারুণ্যের বিকাশসহ পুরো সমাজকে অগ্রগতির ধারায় নিয়ে আসা, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, ইজারাদার, দাদন ব্যবসায়ীসহ দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, শিল্প-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য লালনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনকে ‘আমলাতান্ত্রিক ভবন’ নয়, ‘জনগণের ভবন’ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করতে হবে। এসব কাজ করতে হলে টাউট, মাস্তান, কায়েমি স্বার্থবাদী মহলের দাপট ও খবরদারি বন্ধ করতে হবে। জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই কেবল এই কঠিন কাজটি সফল করা সম্ভব হতে পারে।
প্রচলিত লুটপাটের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও এদের লালন-পালনকারী শক্তিকে ক্ষমতায় রেখে পর্যাপ্ত ক্ষমতাসম্পন্ন স্বশাসিত স্থানীয় সরকার-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। তাই ক্ষমতার মসনদ থেকে ১ শতাংশ লুটেরা ধনিকদের স্বার্থরক্ষাকারী শক্তিকে হটাতে হবে। প্রতিষ্ঠা করতে হবে ৯৯ শতাংশ বঞ্চিত জনগণের ‘বিকল্প শক্তি’র সরকার। এজন্য সম্মিলিত গণসংগ্রাম জোরদার করতে হবে। নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক অবস্থানে থেকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সেই সংগ্রাম অগ্রসর করে নিচ্ছে। ‘জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা’-এই চার নীতির ভিত্তিতেই রচিত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বা ‘ভিশন’। দেশে সেই ‘ভিশন মুক্তিযুদ্ধ-৭১’ প্রতিষ্ঠা করতে সিপিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সেজন্য ‘বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প’ গড়ে তুলতে সিপিবি কাজ করে যাচ্ছে। দেশকে বাঁচানোর জন্য এ কাজের সাফল্যই একমাত্র ভরসা।

উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের প্রতি সিপিবি’র আহবানঃ

আসুন, ‘ভোট ডাকাত’, ‘ক্ষমতা অপব্যবহারকারী’, ‘জনগণের সম্পদ লুটপাটকারী’দের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। সকলের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে সর্বস্তরে প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে এবং পর্যাপ্ত সক্ষমতা ও কর্তৃত্বসম্পন্ন ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠা করার জন্য সোচ্চার হই, একতাবদ্ধ হই, সংগ্রাম গড়ে তুলি। নীতিনিষ্ঠ আন্দোলনকারী শক্তির পতাকাতলে সমবেত হই।
বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

আওয়াজ তুলুনঃ

১। সবার ভোটাধিকার নিশ্চিত করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
২। পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দসহ স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
৩। লুটপাট-ঘুষ-দুর্নীতির কবল থেকে দেশ বাঁচাতে হবে।
৪। ‘ভিশন মুক্তিযুদ্ধ-৭১’ বাস্তবায়নের সংগ্রামে শামিল হোন।
৫। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’কে শক্তিশালী করুন।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
মুক্তিভবন, ২ কমরেড মণি সিংহ সড়ক, পুরানা পল্টন, ঢাকা।

সিপিবি’র আহবান
ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা এবং
স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়নের জন্য
ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলুন

প্রিয় দেশবাসী
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সরকার দেশবাসীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে, ‘ভুয়া ভোটে’র প্রতারণা ও প্রহসন সংগঠিত করেছে। ভ‚য়া নির্বাচন বাতিল করে দল-নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের জন্য জনগণ দাবি তুলেছে। ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে দেশবাসী চরমভাবে অপমানিত ও ক্রোধান্বিত হয়েছে। বঞ্চনার এই দগদগে ঘা শুকায়নি। মানুষ ভোটের ওপর বিশ্বাস, আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই বিশ্বাস, আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার বা নির্বাচন কমিশনার ন্যূনতম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বরং উপজেলা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন যে, উপজেলা নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই ‘সুষ্ঠু’(!) হবে। এ কথা মানুষের হতাশা ও ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ন্যূনতম কোনো প্রতিশ্রæতি ও পদক্ষেপ ছাড়া উপজেলা নির্বাচনে আমাদের দলের অংশগ্রহণকে বস্তুত অর্থহীন করে তোলা হয়েছে। তাই সিপিবি উপজেলা নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দিচ্ছে না।
আমরা মনে করি, জনগণের ভোটাধিকারসহ অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা আজ জাতির সামনে জরুরি কর্তব্য হয়ে উঠেছে। তা নিশ্চিত করতে হলে দল-নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ‘সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা’ প্রবর্তন, নির্বাচনকে টাকার খেলা-পেশিশক্তি-প্রশাসনিক কারসাজি ও সাম্প্রদায়িক ধূম্রজাল থেকে মুক্ত করে গোটা নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার অপরিহার্য। এসব দাবিতে চলমান সংগ্রামে শামিল হতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
জনগণের অংশগ্রহণে স্থানীয় স্বশাসনের বিভিন্ন স্তরের সংস্থার প্রচলন আমাদের সমাজে দীর্ঘদিনের। কিন্তু ক্ষমতাসীনরা এসব সংস্থাকে বারবার ব্যবহার করেছে তাদের ক্ষমতার ‘খুঁটি’ হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত সংবিধানে স্বশাসিত ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা’ লিখিতভাবে স্বীকৃতি পেলেও, এখন পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন অর্জন করা যায়নি। একদিকে স্থানীয় সরকারের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট পাওয়া যায় না। অন্যদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আমলা-প্রশাসন-এই দুই তরফের খবরদারি-নিয়ন্ত্রণ এসব সংস্থার কর্তৃত্বকে জরবদখল করে রেখেছে।
স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জাতীয় বাজেটের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ স্থানীয় সরকারের জন্য সংবিধিবদ্ধভাবে বরাদ্দ রাখার বিধান করা, সংশ্লিষ্ট এলাকার জনসাধারণের মতামত নিয়ে তৃণমূল থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রক্রিয়া চালু করা, সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং কঠোর হাতে সব স্তরে দুর্নীতি বন্ধ করার মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার-ব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হবে। জনগণের প্রকৃত ক্ষমতায়ন ও রাষ্ট্র-প্রশাসনের গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণের জন্য এসব পদক্ষেপ অপরিহার্য।
স্বশাসিত স্থানীয় সরকার সংস্থাসমূহকে দারিদ্র্য বিমোচন, বরাদ্দকৃত অর্থ প্রকৃত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশু-নারী-বয়স্কদের জন্য সামাজিক-আর্থিক সহায়তার নিশ্চয়তা বিধান, সমাজ ও পরিবেশবান্ধব গ্রাম-উন্নয়ন, অপসংস্কৃতি ও নৈরাজ্য দূর করে তারুণ্যের বিকাশসহ পুরো সমাজকে অগ্রগতির ধারায় নিয়ে আসা, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, ইজারাদার, দাদন ব্যবসায়ীসহ দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, শিল্প-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য লালনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনকে ‘আমলাতান্ত্রিক ভবন’ নয়, ‘জনগণের ভবন’ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করতে হবে। এসব কাজ করতে হলে টাউট, মাস্তান, কায়েমি স্বার্থবাদী মহলের দাপট ও খবরদারি বন্ধ করতে হবে। জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই কেবল এই কঠিন কাজটি সফল করা সম্ভব হতে পারে।
প্রচলিত লুটপাটের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও এদের লালন-পালনকারী শক্তিকে ক্ষমতায় রেখে পর্যাপ্ত ক্ষমতাসম্পন্ন স্বশাসিত স্থানীয় সরকার-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। তাই ক্ষমতার মসনদ থেকে ১ শতাংশ লুটেরা ধনিকদের স্বার্থরক্ষাকারী শক্তিকে হটাতে হবে। প্রতিষ্ঠা করতে হবে ৯৯ শতাংশ বঞ্চিত জনগণের ‘বিকল্প শক্তি’র সরকার। এজন্য সম্মিলিত গণসংগ্রাম জোরদার করতে হবে। নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক অবস্থানে থেকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সেই সংগ্রাম অগ্রসর করে নিচ্ছে। ‘জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা’-এই চার নীতির ভিত্তিতেই রচিত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বা ‘ভিশন’। দেশে সেই ‘ভিশন মুক্তিযুদ্ধ-৭১’ প্রতিষ্ঠা করতে সিপিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সেজন্য ‘বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প’ গড়ে তুলতে সিপিবি কাজ করে যাচ্ছে। দেশকে বাঁচানোর জন্য এ কাজের সাফল্যই একমাত্র ভরসা।

উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের প্রতি সিপিবি’র আহবানঃ

আসুন, ‘ভোট ডাকাত’, ‘ক্ষমতা অপব্যবহারকারী’, ‘জনগণের সম্পদ লুটপাটকারী’দের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। সকলের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে সর্বস্তরে প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে এবং পর্যাপ্ত সক্ষমতা ও কর্তৃত্বসম্পন্ন ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠা করার জন্য সোচ্চার হই, একতাবদ্ধ হই, সংগ্রাম গড়ে তুলি। নীতিনিষ্ঠ আন্দোলনকারী শক্তির পতাকাতলে সমবেত হই।
বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

আওয়াজ তুলুনঃ

১। সবার ভোটাধিকার নিশ্চিত করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
২। পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দসহ স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
৩। লুটপাট-ঘুষ-দুর্নীতির কবল থেকে দেশ বাঁচাতে হবে।
৪। ‘ভিশন মুক্তিযুদ্ধ-৭১’ বাস্তবায়নের সংগ্রামে শামিল হোন।
৫। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’কে শক্তিশালী করুন।


বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
মুক্তিভবন, ২ কমরেড মণি সিংহ সড়ক, পুরানা পল্টন, ঢাকা।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ।


Comentários
0 comentários


  • Enviar Comentário
    Para Enviar Comentários é Necessário estar Logado.
    Clique Aqui para Entrar ou Clique Aqui para se Cadastrar.


Ainda não Foram Enviados Comentários!


Copyright 2019 - Jornal Pacifista - All rights reserved. powered by WEB4BUSINESS

Inglês Português Frances Italiano Alemão Espanhol Árabe Bengali Urdu Esperanto Croata Chinês Coreano Grego Hebraico Japonês Hungaro Latim Persa Polonês Romeno Vietnamita Swedish Thai Czech Hindi Você